সভাপতির বাণী

" শিক্ষা হচ্ছে পরশ পাথর যে এর সংস্পর্শে আসে সেই সোনা হয়ে যায়। " সোনার মানুষ আলোকিত মানুষ ভালো মানুষ তৈরি করতে ২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় মারকাযুল কুরআন রূহানিয়া মাদরাসা।

প্রতিটি শিশু অফুরন্ত সম্ভাবনা নিয়ে জন্মগ্রহণ করে। সুসম শিক্ষার মাধ্যমে গড়ে তুলতে হয় তাকে। ইংরেজ কবি মিল্টনের সংজ্ঞাটি প্রাসঙ্গিক মনে করছি। Education is the harmonious development of body mind and soul.

শারীরিক মানসিক সামাজিক ও আত্মিক সমন্বিত উন্নতির মাধ্যমে একজন মানুষ টোটাল ফিটনেস অর্জন করতে পারে। সেই পূর্ণাঙ্গ যোগ্য মানুষ বা অনন্য মানুষ তৈরির কাজটি করছে মারকাযুল কুরআন রূহানিয়া মাদরাসা। যে মানুষ জীবনের সকল প্রত্যাশাকে পূরণ করার পাশাপাশি সৃষ্টির সেবায় নিজেকে নিবেদিত করার মাধ্যমে একজন সফল সুখী ও সার্থক মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে। জীবন হয় ধন্য অনন্য!

সময়ের চাহিদা পূরণের উপযোগী করে আমরা আমাদের কারিকুলাম প্রণয়ন করেছি। হার্ড স্কিল ডেভেলপ করার পাশাপাশি সফট স্কিলকে আমরা গুরুত্ব দিয়ে থাকি। যা যুগের চাহিদা পূরণে একজন শিক্ষার্থীকে বিশ্ব প্রতিযোগিতায় করে অগ্রগামী। ভাষাগত দক্ষতা, বিষয়ভিত্তিক প্রায়োগিক দক্ষতা অর্জনের সাথে সাথে একজন শিক্ষার্থী নৈতিকতায়, মানবিকতায়, ভাবনায় ও বিশ্বাসের উঁচু স্তরে যাতে উন্নীত হতে পারে সেই প্রচেষ্টায় আমরা অবিরাম কর্মমুখর।

আমাদের প্রত্যেক শিক্ষার্থী হবে মেধাবী সৃজনশীল চৌকস ও আদর্শবান।

মারকাযুল কুরআন রূহানিয়া মাদরাসা শিশুদের উপযোগী একটি আদর্শ বিদ্যাপীঠ- শিশু স্বর্গ। যেখানে গঠিত হয় মহৎ মানুষ মহান জীবন।

অত্র বিদ্যালয়ে সকলকে সাদর আমন্ত্রণ!